একতরফা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ক্লাসরুমে ঢুকে সহপাঠীকে গুলি করে হত্যার পর নিজের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক ছাত্র।
সোমবার ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের তরণতারণ জেলার উসমা গ্রামে অবস্থিত ‘মাই ভাগো ল-কলেজে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই ছাত্রীর নাম সন্দীপ কৌর এবং হামলাকারী ছাত্রের নাম প্রিন্স রাজ। তাঁরা দুজনেই ওই আইন কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এই ঘটনায় কলেজ ক্যাম্পাসে গভীর শোক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সোমবার সকালে ক্লাস শুরু হওয়ার পরপরই প্রিন্স রাজ শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে আগে থেকেই বসে থাকা সন্দীপ কৌরের মাথায় খুব কাছ থেকে গুলি করেন তিনি। এরপর শ্রেণিকক্ষের বাইরে বেরিয়ে পুনরায় গুলি লোড করে নিজের মাথায় চালিয়ে দেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একতরফা প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গুরুতর অবস্থায় প্রিন্স রাজকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কিভাবে একজন ছাত্র কলেজের ভেতরে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করতে পারল এবং এই পিস্তল সে কোথা থেকে সংগ্রহ করেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় বর্তমানে কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই ক্যাম্পাস থেকে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। আইন কলেজের মতো জায়গায় এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন