সৌদি প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
সৌদি প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট (কাজের অনুমতিপত্র) নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘কিওয়া’ প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত নিয়োগকর্তারা কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা তাঁদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের (কফালত) সুযোগ পাবেন। সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

কিওয়া প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ তিন মাসের বেশি সময় ধরে উত্তীর্ণ হয়ে আছে, তাঁদের নিয়োগকর্তার প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়েছে, কোনো কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে নবায়ন করা না হলে তাঁকে প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারণ করা হবে। তবে ওই কর্মীকে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া যে সময় পর্যন্ত কাজ করানো হয়েছে, সেই সময়ের সব বকেয়া সরকারি ফি ও আর্থিক দায়ভার নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে।

এই কারণে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাগজপত্র বৈধ ও নিয়মিত করার জন্য নিয়োগকর্তাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে কিওয়া। তবে এই নিয়মের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমের কথাও জানানো হয়েছে। যদি কোনো কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, কিন্তু তাঁর ইকামার (বসবাসের অনুমতি) মেয়াদ অন্তত ১৮০ দিন পর্যন্ত বৈধ থাকে, তবে ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন সম্ভব না হলেও তাঁকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে না।

কিন্তু ইকামার অবশিষ্ট মেয়াদ যদি ১৮০ দিনের কম হয়, তবে পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে নিয়োগকর্তাকে একসঙ্গে ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট দুটিই নবায়ন করতে হবে।

কিওয়া আরও স্পষ্ট করেছে, বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি দ্রুত পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা তাঁদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মাধ্যমে যেকোনো আইনি ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত আর্থিক জরিমানা এড়ানো সম্ভব। তাই এ বিষয়ে দ্রুত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দেশটির নিয়োগকর্তাদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

জেএইচআর