জলবায়ু ইস্যুতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য চুক্তি স্বাক্ষর

‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে’

মো. মাসুম বিল্লাহ প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৩, ০৬:৩১ পিএম
‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা  বেড়েছে’

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জলবায়ু সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।

রোববার (১২ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক প্রতি মন্ত্রী অ্যান-মারি ট্রেভেলিয়ান এ সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, সর্বশেষ কপ-২৬ এর আয়োজক দেশ ছিল যুক্তরাজ্য। তার আগে ৫ বছরে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সদস্যরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থা পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে পড়ে গিয়েছিল কপ। সেটাকে ধরে রাখার জন্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য তারা ৫ বছর আন্দোলনকে ধরে রেখেছিলো আমাদের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্যে, তাদের অবদানকে আমরা স্বীকার করি।

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার বলেন,  এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়েছে সেটি মূলত কপ-২৬, কপ-২৭ এর যে সিদ্ধান্তগুলো রয়েছে, সেই সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে বাস্তবায়নে কাজ করবে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী আলম বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর চেয়ার হিসেবে গত তিনবছর প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেই সময় আমরা দেখেছি, বাংলাদেশের মতো সক্ষমতা পৃথিবীর বেশিরভাগ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো গড়ে তুলতে পারেনি। সেইসব দেশের কিছু সাহায্য দরকার হয়, তাদেরকে হাতে ধরে পথ চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার দরকার হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যান-মারি ট্রেভেলিয়ান বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তাসহ দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য একসঙ্গে কাজ করবে।

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেওয়া প্রসঙ্গে অ্যান-মারি ট্রেভেলিয়ান বলেন, এ ব্যপারে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পাশে আছে। এবং আশা রাখছি খুব দ্রুতই এ বিষয়ে সমধান হবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি  সম্পর্কে জানতে চাইলে যুক্তরাজ্যের এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ইতিবাচক গণতান্ত্রিক চর্চায় দেখছি। তবে এ বিষয়ে জরিপ করে এবং প্রাণবন্ত বিতর্ক হতে পারে সব দলের উপস্থিতিতে।

এআরএস