৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষাদানে নিয়োজিত সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে একটি কঠোর নীতিমালার আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি বন্ধ করতে এই দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের হাতে সোপর্দ করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
রোববার বনানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য উল্লেখ করেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষক বদলি ব্যবস্থা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের মাধ্যমে আমরা এই খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পূর্ণ দূর করতে চাই।
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সিঙ্গেল শিফটে রূপান্তর করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মান এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে সাধারণ মানুষ এখানে সন্তান ভর্তির জন্য প্রতিযোগিতা করে।
শিক্ষকদের দক্ষতার বিষয়ে তিনি বলেন, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষক যেন শ্রেণিকক্ষে যেতে না পারেন, সেই ব্যবস্থা ধাপে ধাপে নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে নতুন শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে কারিকুলাম, শিক্ষক, অবকাঠামো ও পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনা- এই চারটি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে বাধ্যতামূলক করা হবে এবং ২০২৮ সালের কারিকুলামে তা পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত হবে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন