পানিসম্পদ মন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২৬, ০৩:০৮ এএম
ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে

ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।

রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিদ্যমান চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নতুন চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সমন্বয়ে অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চলছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, উজানের দেশগুলোতে আন্তঃসীমান্ত নদীর ওপর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার বিষয়টি বাস্তব। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক কারণেও উজানে পানির প্রাপ্যতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।

সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সদস্য নুরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় প্রকল্পটি যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং এর সফল বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞ পরামর্শক নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৬ কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় আগামী জুনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

এম জি