সড়কমন্ত্রী

বিরোধী দলের সমালোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না, তারা নতুন

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
বিরোধী দলের সমালোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছি না, তারা নতুন

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, দুই-চারবার-পাঁচবার বিরোধী দল থাকলে আস্তে আস্তে তারা সমালোচনাটাও বুঝে যাবেন।

রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

মন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রী বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে প্রায় ৩০ শতাংশ, ভৌত অবকাঠামো খাতে ১৮ শতাংশের বেশি এবং সাধারণ সেবা খাতে প্রায় ২৬ শতাংশ বরাদ্দ রেখেছেন। তার ভাষায়, বরাদ্দের এই ভারসাম্য দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সময়োপযোগী।

তিনি বলেন, দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ সেবা খাতে বরাদ্দও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

ঘাটতি বাজেট নিয়ে সমালোচনার জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, নির্ধারিত হারে রাজস্ব আদায় এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ পাওয়া গেলে ঘাটতি বাজেট নিয়ে উদ্বেগের তেমন কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোও ঘাটতি বাজেট অনুসরণ করে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ বাজেটে জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং চীনের বাজেটে প্রায় ৪ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। তাই বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের বাজেট অস্বাভাবিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের সঞ্চয় বাড়ার মাধ্যমে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, নির্ধারিত ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

বিরোধী দলের সমালোচনা প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, যারা এখন বাজেট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন, তারা এখনও বিরোধী দলের ভূমিকায় নতুন। তার মতে, বিরোধী দলে আরও কয়েকবার দায়িত্ব পালন করলে সমালোচনার ধরনও আরও পরিণত হবে। তাই তাদের বর্তমান সমালোচনাকে তিনি খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না।

এম জি