'ফ্যাসিবাদের দোসরদের' পুনর্বাসনের অপচেষ্টা রুখে দিতে প্রয়োজনে জেলা ও আসনভিত্তিক প্রতিরোধ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’।
বুধবার রাতে জোটের এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
জোটের মুখপাত্র নাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সহ-সভাপতি সাইদুল খন্দকারসহ জোটভুক্ত তিনটি দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে দুটি বিশেষ উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি কমিটি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের জন্য যোগ্য প্রার্থী বাছাই করবে। অন্য কমিটি জোটের রাজনৈতিক ইশতেহার, ব্র্যান্ডিং এবং প্রচারণা কৌশল নির্ধারণে কাজ করবে।
বক্তব্যের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করা হয়। হাদির ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের দাবি জানান জোটের নেতারা। এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যেরও কড়া সমালোচনা করেন তাঁরা।
গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের নেতারা সতর্ক করে বলেন, ফ্যাসিবাদের মূল শক্তি ও তাদের সহযোগীদের পুনর্বাসনের একটি চক্রান্ত চলছে। এর মোকাবিলায় তৃণমূল পর্যায়ে সমন্বয় সভা এবং প্রতিটি নির্বাচনি আসনে প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন, এবি পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের দিদার ভূঁইয়াসহ জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন