জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আবু সাঈদ তারেক রহমানের ডাকে জুলাই আন্দোলনে নেমেছিল। আবু সাঈদ ফ্যাসিবাদী আমলে বিএনপির ডাকা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন এবং সেগুলো নিজের ফেসবুকে পোস্ট করতেন।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৬টায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ আবু সাঈদ গেটের সামনে ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়কে রংপুর বিভাগীয় ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
সমাবেশে তিনি ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, একটি ছাত্র সংগঠন বলে তারা লেজুড়বৃত্তি ছাত্র রাজনীতি করে না। শুধু তাই নয়, তারা এটাও বলেছে, জামাতের সঙ্গে তাদের কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। কিন্তু শিবিরের পদে থাকা অবস্থায় জামায়াতে যোগদান করেছে। তারা যুগে যুগে এ ধরনের মুনাফেকি করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা ছাত্রদল শত প্রতিকূলতা ও অপপ্রচারের মাঝেও তারেক রহমানের বিনয়ী আচরণ বুকে ধারণ করে দেশগড়ার কাজে মনোনিবেশ করে যাব।
ছাত্রদল সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের নিজ নিজ ইউনিটে কাজ করে যেতে হবে। তারেক রহমানের সরকার পাঁচ মাস অতিবাহিত করছে, এই পাঁচ মাসে জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার জন্য তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনি আপনার পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে দেখেন, কয়েক যুগে তারেক রহমানের মতো সরকার দেখেছে কিনা। সবাই অকপটে স্বীকার করবে গত দুই যুগে সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অল্প কিছু অংশের ওপর ভর করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ দিবাস্বপ্ন দেখে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় করে ফেলেছিল। পরীক্ষার্থীদের নগণ্য একটি অংশ চেয়েছিল, একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে। তার নেপথ্যে ভূমিকা পালন করেছে সেই পালিয়ে যাওয়ার ছাত্র সংগঠন ফ্যাসিস্ট ছাত্রলীগ।
তিনি বলেন, একটি সংগঠন এখানে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা পালন করেছে। যাদেরকে আমরা মোনাফেক হিসেবে চিনি, সেই গুপ্ত সংগঠন। ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছাপিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। সাধারণ শিক্ষার্থীদের তারা বিভ্রান্ত করতে পারেনি এবং কখনো পারবে না। কারণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সজাগ রয়েছে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন