আসিফ মাহমুদ

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করবে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১২:০৪ এএম
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করবে

সাড়ে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশে ফিরে আসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আসিফ মাহমুদ তার পোস্টে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে লেখেন, “এই প্রত্যাবর্তন শুধু একজন রাজনৈতিক নেতার ঘরে ফেরা নয় এটি গণতন্ত্র ও মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থেকেও তিনি নিজ দল, দেশ ও জনগণের সঙ্গে আত্মিক ও আদর্শিকভাবে যুক্ত থেকেছেন।” 

তিনি আরও প্রত্যাশা করেন যে, তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে এবং তাঁর আগামীর পথচলা দেশের জন্য সফল ও কল্যাণকর হবে।

একই দিনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। 

তিনি উল্লেখ করেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকার পুনরুদ্ধার হওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়েরই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন। 

নাহিদ ইসলাম বলেন, “তারেক রহমান এবং তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে অর্জিত গণ-অভ্যুত্থানের ফলেই আজ এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যেখানে তিনি দেশে ফিরতে পেরেছেন।”

নাহিদ ইসলাম তার পোস্টে ভবিষ্যতে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন, যেখানে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার হতে হবে না। 

তিনি বিশ্বাস করেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে তিনি মনে করেন।

তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাবৃন্দ ও নতুন রাজনৈতিক শক্তির নেতাদের এমন ইতিবাচক মূল্যায়ন দেশের আগামীর গণতান্ত্রিক পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ইএইচ