নীলফামারীর এসপি জাহিদুলকে বরখাস্তের দাবি জামায়াতের

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১২:০০ এএম
নীলফামারীর এসপি জাহিদুলকে বরখাস্তের দাবি জামায়াতের

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ আটকের ঘটনাকে 'পরিকল্পিত নাটক' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 

বুধবার দিবাগত রাতে মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার জন্য নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ জাহিদুল ইসলামকে দায়ী করে তাঁর বরখাস্তের দাবি জানিয়েছে দলটি।

সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাইফ উদ্দিন খালেদ। তিনি অভিযোগ করেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যা ঘটেছে তা মূলত নীলফামারীর এসপির সাজানো একটি 'মিডিয়া ট্রায়াল'। এসপি জাহিদুল ইসলামকে পলাতক সাবেক ডিবি প্রধানের সহযোগী দাবি করে তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে জামায়াত।

সাইফ উদ্দিন খালেদ আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ওই পুলিশ সুপার কয়েকদিন আগে এক প্রার্থীর সাথে মধ্যাহ্নভোজ করেছেন। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যে কীভাবে মিডিয়া ট্রায়ালের প্রস্তুতি নেওয়া হলো এবং বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ফুটেজ ফাঁস করা হলো, সে বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

জামায়াতের দাবি, এই পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল পরিকল্পিত এবং টার্গেটেড। এসপি জাহিদুল ইসলামকে দ্রুত অপসারণ না করলে আগামীকালকের নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত রায়ের প্রতিফলন ঘটবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দলটি। তারা এই ঘটনাকে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রার্থীর বিরুদ্ধে একটি গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াতকে বিতর্কিত করতে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি গোষ্ঠী প্রশাসনকে ব্যবহার করছে। তিনি অভিযোগ করেন, নারীরা যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারেন সে জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

জামায়াত মনে করে, প্রশাসনের একটি অংশ এবং ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা এক হয়ে এই চক্রান্ত লিপ্ত রয়েছে। যারা এসব ষড়যন্ত্র ও হামলার সাথে জড়িত, তাদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

জেএইচআর