বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচে ব্রাজিলের মোট গোলসংখ্যা ৭

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচে ব্রাজিলের মোট গোলসংখ্যা ৭
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। ‘সি’ গ্রুপে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষস্থান দখল করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

গ্রুপ পর্বজুড়ে আক্রমণভাগের কার্যকারিতা, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ছিল ব্রাজিলের সাফল্যের মূল ভিত্তি। তিন ম্যাচে তারা মোট সাত গোল করেছে, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র একটি।

অভিযান শুরু হয়েছিল মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। সেই ম্যাচে জয় না পেলেও ব্রাজিল হতাশ করেনি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে ১-১ গোলে ড্র করে সেলেসাওরা। দলের একমাত্র গোলটি আসে আক্রমণভাগের দারুণ সমন্বয়ের ফল হিসেবে।

প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগির পর দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাজিল। পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে তারা ৩-০ গোলের জয় তুলে নেয়।

সেই ম্যাচে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন ম্যাথিউস কুনহা। তিনি জোড়া গোল করে দলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ব্রাজিলের আক্রমণভাগের গতিময় ফুটবলের সামনে হাইতি কার্যত কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও একই ছন্দ বজায় রাখে কার্লো আনচেলত্তির দল। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে তারা।

এই ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে জোড়া গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর একটি গোল করেন ম্যাথিউস কুনহা, যিনি পুরো গ্রুপ পর্বেই ছিলেন দলের অন্যতম সেরা পারফরমার।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি আরেকটি কারণে বিশেষ হয়ে থাকে। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফেরেন নেইমার জুনিয়র। তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে বড় জয় পাওয়ায় ব্রাজিল শিবিরে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।

গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের ফলাফল ছিল-

ব্রাজিল ১-১ মরক্কো
ব্রাজিল ৩-০ হাইতি
ব্রাজিল ৩-০ স্কটল্যান্ড

তিন ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ পয়েন্ট। তারা মোট ৭টি গোল করেছে এবং মাত্র ১টি গোল হজম করেছে। ফলে +৬ গোল ব্যবধান নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।

প্রথম ম্যাচে জয় না পেলেও পরের দুই ম্যাচে টানা ছয় গোল করে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্স বিবেচনায় শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই এখন দেখা হচ্ছে আনচেলত্তির শিষ্যদের।

এএন