ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেললেও আর্লিং হালান্ডের কপালটা আজ কিছুটা খারাপই বলতে হয়। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে বক্সের সেন্টার থেকে নেওয়া তাঁর একটি হেড প্রতিহত হয়। বিরতির ঠিক তিন মিনিট আগে পা বাড়িয়ে তাঁর আরেকটি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন আইভরি কোস্টের এক ডিফেন্ডার। এর মাঝে তাঁর একটি ট্রেডমার্ক হেডও দারুণভাবে সেভ করেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক।
নরওয়ের এই গোলমেশিন জালের দেখা না পেলেও শেষ ৩২-এর এই ম্যাচে আইভরি কোস্টকে ঠিকই পেছনে ফেলেছে নরওয়ে। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে আন্তোনিও নুসা বক্সের বাঁ দিকে বল পেয়ে চমৎকার পায়ের কারুকাজে কিছুটা জায়গা তৈরি করে নেন। এর পর ডান পায়ের কোণাকুনি শটে ফোফানাকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি। তাঁর এই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা দলটি।
অবশ্য প্রথমার্ধে আইভরি কোস্টও নরওয়ের বক্সে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালিয়েছিল, তবে তাদের শটগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের ২১ মিনিটে ঘিসলাইন কোনানের নেওয়া ডান পায়ের শটটি কাছের পোস্টের বাইরের জালে আঘাত করে। এর সাত মিনিট পর নিকোলাস পেপের ডান পায়ের শট পোস্টের বাঁ দিক দিয়ে বাইরে চলে যায়। এ ছাড়া ৩৫ মিনিটে এমানুয়েল আগবাদুর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া একটি দূরপাল্লার শট চমৎকারভাবে রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরহান নাইলান্ড।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন