২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬৫৮২

  নিরাপদ সড়ক চাই এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন ‘২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৬৫৮২ জন, ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৫১৬২ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ২৭ ভাগ বেশি।’

বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির (ডিআরইউ) ছোট ‍মিলনায়তনে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ এর আয়োজনে ‘২০১৪ সালের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান ও প্রতিবেদন প্রকাশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য দেন।

তিনি দাবি করেন, মিডিয়ায় প্রকাশিত দুর্ঘটনা ও হতাহতের যে সংখ্যা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে তা অনেকটাই অসম্পূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা হবে ৩৫০০ এর বেশি। ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, চালকের দায়িত্বহীনতা ও অসচেতনায় দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। এ কারণে অনেক মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। দেশে ২১ লাখ মোটরযান থাকলেও চালক আছে মাত্র ১৫ লাখ। ৬ লাখ চালকের ঘাটতি রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে অদক্ষ চালক দিয়ে এই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। আর এতে দেশে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, চালকের ঘাটতি থাকার পরেও বিআরটিএ কর্মকর্তারা নতুন গাড়ির লাইসেন্স দিয়ে চলেছে। এতে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। এই ক্ষতির দায়ভার বিআরটিএ ও সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকদের নিতে হবে। তিনি দাবি করেন, চালকের ঘাটতি থাকার পরেও বিআরটিএর যেসব কর্মকর্তা নতুন গাড়ির লাইসেন্স দিচ্ছেন তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার জন্য চালকদের অদক্ষতা ও দায়িত্বহীনতার পাশাপাশি জনগণের অসচেতনতাও কোনো অংশে কম দায়ী না। গাড়ির মালিক ও চালকদের মতো পথচারিদেরকেও আইন মেনে চলতে হবে। তা না হলে দুর্ঘটনার ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।