গোপন কথাটি থাকেনি গোপন

ভেন্যুর আশপাশে কোনো ড্রোনও উড়তে দেয়া হবে না। কড়া নিরাপত্তায় থাকা কর্মীদের নজরে পড়লেই সেটা গুলি করে নামিয়ে দেয়া হবে। এ বিয়েতে নিমন্ত্রিত অতিথিরা ক্যামেরা কিংবা ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। বিয়ের স্থান, সময় ও আয়োজন সম্পর্কে বাইরে কোথাও কিছু বলা যাবে না— এ মর্মে কাগজে স্বাক্ষরও করতে হয়েছে তাদের। 

কিন্তু তারপরও কী নিজেদের বিয়ের খবর গোপন রাখতে পারছেন ভিকি কৌশল কিংবা ক্যাটরিনা কাইফ? তাদের বিয়ের গুঞ্জনটা প্রবলভাবেই ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও কদিন আগে ভিকির এক তুতো বোন দাবি করেন, এ বিয়েটা হচ্ছে না।

কিন্তু এবার আর কোনো সন্দেহের অবকাশ রইলো না। কারণ, ভিকি-ক্যাটের বিয়ের খবরটা নিশ্চিত করেছেন একজন জেলা প্রশাসক। তার নাম রাজেন্দ্র কিশন। তিনি রাজস্থানের সাওয়াই মাধোপুর জেলার প্রশাসক।

ওই জেলারই একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে হবে ভি-ক্যাটের বিয়ে। যেহেতু ভিআইপি বিয়ে, তাই নিরাপত্তা নিয়ে তোড়জোড় চলছে ওই এলাকায়। সার্বিক আয়োজন নিয়ে গত শুক্রবার একটি বৈঠক করেছেন জেলা প্রশাসক। 

এরপর তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘যেসব অতিথি বিয়ের অনুষ্ঠানে আসবেন, তাদের প্রত্যেককে কোভিড ভ্যাকসিনেশনের সার্টিফিকেট দেখাতে হবে এবং ভ্যাকসিনের দুটি ডোজই নেয়া হতে হবে। 

এছাড়াও সঙ্গে রাখতে হবে সাম্প্রতিক করোনা টেস্টের রিপোর্ট। বিয়ের অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির গাড়িতে বিশেষ স্টিকার থাকতে হবে।’ ভিকি ও ক্যাটরিনার বিয়েতে কতজন অতিথি থাকবেন— এ নিয়ে চলছিল নানা গুঞ্জন। 

সেই কথাও নিশ্চিত করলেন প্রশাসক রাজেন্দ্র। তিনি বলেন, ‘বিয়ের অনুষ্ঠানে ১২০ জন অতিথি আসবেন। তাদের প্রত্যেককে কোভিড বিধি-নিষেধ মেনেই চলতে হবে।’ সাওয়াই মাধোপুর জেলার অন্তত ৪৫টি হোটেলে ভিকি-ক্যাট বুকিং দিয়েছেন বলে জানা যায়। 

যাতে সেখানে অতিথিরা থাকতে পারেন। প্রত্যেক অতিথির আলাদা কোড নাম দেওয়া হয়েছে। যাতে বাইরের মানুষ বুঝতে না পারে, কে কোথায় আছেন। এদিকে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলেও রাখা হচ্ছে কড়া নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা।