দেশে ক্যান্সার চিকিৎসায় আশার আলো

দেশে এই মুহূর্তে প্রায় ২০ লাখ ক্যান্সার রোগী রয়েছে। অথচ দেশে ক্যান্সার চিকিৎসায় শয্যা সংখ্যা আছে মাত্র এক হাজারেরও অনেক নিচে। ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্য অন্তত একটি করে রেডিও থেরাপি মেশিন প্রয়োজন। এতে দরকার প্রায় ১০৭টি মেশিন। কিন্তু দেশে এখন ১৭-১৮টির বেশি রেডিও থেরাপি মেশিন নেই। ক্যান্সার চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ঢাকাকেন্দ্রিক। এটি সাধারণ মানুষের জন্য আরেকটি বড় সমস্যা। 

নানা কারণে ক্যান্সারে দেশে লক্ষাধিক মানুষ মারা যাচ্ছে। একই কারণে দেশে কিডনি চিকিৎসাও কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে মানুষের বাজেটের বাইরে বহুগুণ ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ৩০ হাজার কিডনি রোগীদের জন্য নিয়মিত ডায়ালাইসিস করা প্রয়োজন। কিন্তু গোটা দেশজুড়ে সর্বসাকল্যে দুই-তিন হাজারের বেশি মানুষের জন্য ডায়ালাইসিস ব্যবস্থা হয়ে ওঠেনি। সরকার দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পেরে দেশের সকল সরকারি জেলা হাসপাতালে অন্তত ১০ বেডের ডায়ালাইসিস সেন্টার বৃদ্ধি করে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজন তো অনেক বেশি। ক্যান্সার কিডনি রোগের পাশাপাশি আরেক মরণব্যাধিতে হূদরোগে এখন দেশে লক্ষাধিক মানুষ বছরে মারা যাচ্ছেন। 

এই রোগগুলোতে দেশে সামগ্রিক নানাবিধ ক্ষতি হচ্ছে। এসব চিকিৎসায় মানুষকে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে ফিরতে হচ্ছে। দেশের বেসরকারি কিছু হাসপাতাল এই ক্যান্সার, কিডনি ও হূদরোগের চিকিৎসা নিতে গেলেও তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে যায়। 

এসব বিষয়কে মাথায় নিয়ে সরকার অতি দ্রুত দেশের আট বিভাগে আটটি ১৫তলা বিশিষ্ট উন্নত বিশ্বের ন্যায় আধুনিক ক্যান্সার, কিডনি ও হূদরোগ হাসপাতাল নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য এক বিরাট আশার বাতিঘর হয়ে দেখা দিয়েছে। এই আট হাসপাতালে মোট বেড সংখ্যা থাকবে তিন হাজার ৬৮০টি, আর হাসপাতালগুলো দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে হওয়ায় এগুলো দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য খুব বড় স্বস্তিকর একটি বিষয় হয়ে দেখা দিয়েছে। 

বিষয়টি এখন সবাই জানে, একটি পরিবারে ক্যান্সার আক্রান্ত একজন রোগী থাকা মানেই সেই গোটা পরিবারটিরই চিকিৎসা ব্যয়ভার বহন করতে করতে হতদরিদ্র পরিবারের কাতারে চলে যাওয়া। অনেক ভালো চিকিৎসার পরও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিটি শেষে মারাই যান। আর আক্রান্ত পরিবারটি একদিকে সীমাহীন পারিবারিক কষ্টে থাকে, অন্যদিকে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে গোটা পরিবারটিই দিশাহারা ও বেসামাল হয়ে পড়ে। সত্যিকার অর্থেই চিকিৎসা ক্ষেত্রে ক্যান্সার একটি ভীতিজনক রোগের নাম। এই রোগটি শরীরে বাসা বাঁধলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ে। একেবারে শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ার কারণে বেশির ভাগ রোগীই মারা যান। 

অথচ আক্রান্ত হওয়ার শুরুতেই যদি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করা সম্ভব হয় তাহলে খুব অল্প খরচে অধিকাংশ রোগীই সুস্থ হতে পারে। বড় একটি সমস্যা হচ্ছে, দেশে ভালো মানের ক্যান্সার চিকিৎসা সেবা দেয়া হয় এরকম হাসপাতাল আছে খুব হাতে গোনা অল্প কিছু। এই হাসপাতালগুলোর অধিকাংশই ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় দিন দিন রোগীর চাপ বেশি হচ্ছে এবং রোগীরা ক্যান্সার চিকিৎসা করতে বিদেশমুখী হয়ে র্অনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন। দেশে বেসরকারি কিছু হাসপাতালে মানসম্মত ক্যান্সার চিকিৎসা দেয়া হলেও তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় দেশের অধিকাংশ মানুষ এসব হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারে না। 

অন্যদিকে পরিসংখ্যান বলছে, দিন যতই যাচ্ছে দেশে ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা ততই বেড়ে চলেছে। প্রতিবছর গড়ে দেড় থেকে দুই লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এদের মধ্যে এক থেকে দেড় লাখ আক্রান্ত মানুষই এই রোগটিতে ধুকে ধুকে মারা যাচ্ছে। অন্যদিকে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে বছরে বছরে এই বিরাট সংখ্যক পরিবারগুলো নিঃস্ব ও দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্স অন ক্যান্সার-এর (আইএআরসি) সামপ্রতকি প্রকাশতি অনুমিত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদশে প্রতি বছর এক লাখ পঞ্চাশ হাজার মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এর মধ্যে মারা যায় এক লাখ আট হাজার এবং এই সংখ্যা প্রতি বছর বেড়েইে চলছে। 

এই সংস্থার মতে বাংলাদশে ক্যান্সার আক্রান্তের হার প্রতি লাখে ১০৫.৭ এবং মৃত্যু হার প্রতি লাখে ৭৭.১। অনানুষ্ঠানিক অন্য এক জরিপে দেখা গেছে, এই অনুমিত ক্যান্সার রোগীদের এক তৃতীয়াংশ দেশের স্বীকৃত চিকিৎসা সেবার আওতায় আসে। বাকিদের একটা বড় অংশ বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছে কিংবা নানা অবৈজ্ঞানিক ব্যবস্থার আশ্রয় নিচ্ছে। ফলে ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক রোগী। গত দুই দশকে দেশে সরকারি খাতে ক্যান্সার চিকিৎসার আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটেছে লক্ষণীয়ভাবে। 

ঢাকার মহাখালীর জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনস্টটিউিট ও হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা প্রথমে ৫০ থেকে ৩০০-তে উন্নীত করা হয়েছে এবং এরপর আরও ৫০০ শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে যেখানে রেডিওথেরাপির আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযুক্ত হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলজে ও ঢাকার বাইরে বগুড়াতে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেডিওথেরাপির সর্বাধুনিক লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিন সংযুক্ত হয়েছে। 

পুরাতন আটটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুর্ণাঙ্গভাবে সবগুলোতে ক্যান্সার বিকিরণ চিকিৎসা, কেমোথেরাপির ব্যবস্থা চালু নেই। বেসরকারি খাতে কয়েকটি বড় হাসপাতালে রেডিওথেরাপিসহ ক্যান্সার চিকিৎসা চালু হয়েছে, যেখানে অনেক সচ্ছল রোগী চিকিৎসা নিতে পারছেন যা সাধারণ মানুষের চিকিৎসা প্রাপ্তির নাগালে বাইরেই রয়ে গেছে। 

একমাত্র জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনস্টিটিউট ছাড়া সরকারি-বেসরকারি কোনো বিশেষায়িত ক্যান্সার সেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এখন পর্যন্ত ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থা রাজধানীকেন্দ্রিক। তাই সরকারিভাবে চিকিৎসার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়। 

উপরন্তু ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী সামর্থ না থাকলেও বাধ্য হয়ে বিদেশি কিংবা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা সুবিধা রাজধানীকেন্দ্রিক হওয়ায় এবং ক্যান্সার রোগ সম্পর্কে জনগণের অজ্ঞতা, অসচেতনতায় রোগ নির্ণয় বিলম্বতি হয়, ফলে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল পাওয়া সম্ভব হয় না। 

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যান্সার নির্ণয়ের এক বছররে মধ্যে শতকরা প্রায় পঁচাত্তর ভাগ রোগী মারা যায়, কিংবা ভয়াবহ আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়। এমতাবস্থায়, দেশের অধিকাংশ মানুষের ভৌগলিক ও আর্থিক অবস্থার নাগালের মধ্যে ক্যান্সার সেবা পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ প্রয়োজন। ক্যান্সার রোগীর সঠিক পরিসংখ্যান এবং জনগোষ্ঠীভিত্তিক বা পপুলেশনভিত্তিক ক্যান্সার রেজিস্ট্রির মাধ্যমে ক্যান্সারে আক্রান্তের হার, মৃত্যুহারসহ গুরুত্বপূর্ণ উপাত্ত পাওয়া সম্ভব, যা সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। ২০০৪ সালে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টটিউিট হাসপাতালে ও ১৯টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যান্সার নিবন্ধন কার্যক্রম স্বল্প পরসিরে শুরু হয়েছে।

কিন্তু জনগোষ্ঠীভিত্তিক ক্যান্সার নিবন্ধনের উদ্যোগ নেয়া ছাড়া উল্লিখিত তথ্য-উপাত্ত পাওয়া সম্ভব নয়। ক্রমান্বয়ে ক্যান্সার চিকিৎসায় একদিকে ঢাকার উপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমানোর তাগিদ, অন্যদিকে এই ক্যান্সার চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে দরিদ্র হয়ে যাওয়া ঠেকানোর বিষয়টি সরকারের মাথাব্যথা হয়ে দেখা দেয়। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জাহিদ মালেক ২০১৮ সালে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তুলে ধরলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্যান্সার চিকিৎসায় দেশব্যাপী চিকিৎসাসেবা ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে নির্দেশনা দেন। মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উঠেপড়ে লাগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ক্যান্সার চিকিৎসায় গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশের আটটি বিভাগেই আটটি ১৫তলা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়। 

ক্যান্সারের পাশাপাশি সেখানে কিডনি, লিভার এবং ডায়ালাইসিস সুবিধা রাখার জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ক্যান্সার চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অবশেষে জুলাই, ২০১৯ থেকে প্রকল্প আকারে বাস্তবায়ন করতে কাজ শুরু হয়। কাজ শেষ করা বা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময় নির্ধারণ করা হয় জুন-২০২২ পর্যন্ত। প্রকল্পটি গত ২০১৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদিত হয় এবং ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর প্রকল্পটি প্রশাসনিক অনুমোদন লাভ করে। 

প্রকল্পটির সার্বিক উদ্দেশ্য হচ্ছে- ১. সারা দেশের ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত বিশাল জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা; ২. সূচনাতেই ক্যান্সার রোগ নির্ণয় এবং সময় মতো ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা; ৩. ক্যান্সার চিকিৎসাসেবা সমপ্রসারণ ও বিকেন্দ্রীয়করণরে মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা; ৪. ক্যান্সার চিকিৎসাসেবায় বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে আনা, পক্ষান্তরে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করা; ৫. ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে Out of Pocket Expenditure; ৬. দেশে ক্যান্সার চিকিৎসাসেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা।

সর্বোপরি আট বিভাগে আটটি উন্নত মানের ক্যান্সার, কিডনি, লিভার চিকিৎসা হাসপাতাল নির্মাণ নিঃসন্দেহে সরকারের একটি সূদুরপ্রসারী ও ফলপ্রসু চিন্তার ফসল হয়ে দেখা দিবে বলে দেশের বিজ্ঞজনেরা মনে করছেন। হাসপাতালগুলো নির্মাণ কাজের অগ্রগতি এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গত ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাসপাতালগুলোর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। 

আশা করা যাচ্ছে, নির্ধারিত সময়েই হাসপাতালগুলো কার্যক্ষম হয়ে উঠবে। হাসপাতালগুলোর প্রতিটিতেই প্রথম অবস্থায় অন্তত ৪৬০টি ক্যান্সার, কিডনি, হূদরোগের নতুন শয্যার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা থাকবে। আটটি বিভাগীও হাসপাতালে মোট বেড সংখ্যা হবে তিন হাজার ৬৮০টি। 
এতগুলো বেড প্রস্তুত হয়ে গেলে ক্যান্সার, কিডনি ও হূদরোগ চিকিৎসায় ঢাকার ওপর চাপ অনেকাংশই কমে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। 

সাধারণ মানুষজন ঢাকায় এসে চিকিৎসা করাতে অতিরিক্ত টাকা খরচ করার পাশাপাশি চিকিৎসা সংক্রান্ত ভোগান্তির হাত থেকেও বেঁচে যাবেন। হাসপাতালগুলো চালু হলে একদিকে দ্রুততার সাথে রোগটিকে প্রথম পর্যায়েই নির্ণয় করা যেমন সহজ হবে, অন্যদিকে চিকিৎসাসেবায় জটিল ও ভীতিকর এই রোগটির চিকিৎসায় দেশের প্রান্তিক মানুষ অনেকটাই স্বস্তির শ্বাস নিতে শুরু করবে। 

লেখক : সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা,  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়