Amar Sangbad
ঢাকা রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

কিরাতের কারণে নামাজ নষ্ট হয় কখন?

ধর্ম ডেস্কশরিফ রুবেল

নভেম্বর ২০, ২০২১, ১২:২০ পিএম


কিরাতের কারণে নামাজ নষ্ট হয় কখন?

কিরাতে আয়াতের শব্দসমূহের উচ্চারণের সাধারণ কমতি অথবা অর্থের সাধারণ পরিবর্তনের কারণে নামাজ নষ্ট হয় না।

যদি নামাজে সুরা পাঠে এমন কোনো ভুল হয়ে যায়, যাতে আয়াতের অর্থে বড় ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়; অর্থাৎ এমন কোনো অর্থ সৃষ্টি হয়ে যায়, যার বিশ্বাস রাখা একজন মুমিনের জন্য কুফুরি।

আর ভুল পড়া আয়াত-বাক্য এবং সহিহ শব্দাবলির মাঝে কোনো পরিপূর্ণ ওয়াকফ (থামা না হয়) করা না হয় (যাতে বিষয় বস্তুর বিচ্ছিন্নতার দরুন নামাজ নষ্ট হওয়া থেকে বেচে থাকা যায়) এবং নামাজের ভেতরেই সেই ভুলের সংশোধন করা না হয়, তা হলে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

কিরাতের ভুলের কারণে নামাজ নষ্ট হওয়া বা না হওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে এটি হচ্ছে মূলনীতি, যা আমরা মাত্র ওপরে উল্লেখ করলাম। তবে কারও কেরাতে যদি ভুল হয়, তা হলে সে ভুল উল্লেখকরত কোনো বিজ্ঞ মুফতির কাছে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে।

তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট থাকা ভালো যে, যদি আয়াতের উচ্চারণগত পরিবর্তন  অথবা শব্দাবলির কমবেশির কারণে অর্থে কোনো পরিবর্তন না হয় অথবা আয়াতের অর্থে পরিবর্তন হয়; কিন্তু সেটি বড় ধরনের পরিবর্তন নয়, তা হলে এসব কারণে যদিও নামাজ নষ্ট হবে না। 

তবে সহিহ তিলাওয়াতের  ওপর ক্ষমতাবান থাকা এবং এ বিষয়টি জানা সত্ত্বেও এভাবে কিরাত পড়ে নামাজ পড়া মাকরুহ থেকে মুক্ত নয়। এবং এতে করে তার তিলাওয়াতের সওয়াব কম হবে।

তাই নামাজে যদি এমন কোনো ভুলের উপলদ্ধি হয়, তা হলে সে আয়াত বা শব্দবলিকে নামাজেই পুনরায় সংশোধন করা উচিত।
 
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য উচিত যে, বিশুদ্ধ ও তাজবিদ সহকারে পবিত্র কুরআনে কারিম তিলাওয়াতে গুরুত্ব দেওয়া। আর যদি নিজে নিজে তিলাওয়াত সহিহ করতে না পারে,  তা হলে কোনো একজন বিজ্ঞ কারীর তত্বাবধানে থেকে নিজের কেরাতের মশক (চর্চা) করা উচিত।

আমারসংবাদ/আরএইচ