Amar Sangbad
ঢাকা শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬,

পৌর নির্বাচন: জনপ্রিয়তার শীর্ষে মিথুন ভট্ট

নোয়াখালী প্রতিনিধি

জানুয়ারি ৭, ২০২১, ১১:৫০ এএম


পৌর নির্বাচন: জনপ্রিয়তার শীর্ষে মিথুন ভট্ট

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সবচেয়ে ত্যাগি নেতা মিথুন ভট্ট। দুঃসময়ের অসহায় নিপীড়িত দলীয় নেতা কর্মীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন যা সর্বজনের মুখে মুখে।

মিথুন ভট্ট ছাত্র রাজনীতি থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্যবার জেল জুলুম, অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে আজও সাধারন জনগনের কাছে টিকে আছেন।

নোয়াখালী জেলা শহরে হাজার হাজার নেতাকর্মী সৃষ্টির কারিগর মিথুন ভট্ট ব্যক্তিগত জীবনে নির্লোভ জীবন যাপন ও নিরংহকারী একজন যোগ্যতা সম্পন্ন সাদা মনের মানুষ। আওয়ামী লীগের এই ত্যাগি নেতা দল ক্ষমতায় আসার পূর্বে নেতৃত্ব ও ছাত্র রাজনীতিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে নিজ দলের চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা রেখে বরাবরই নেতা কর্মীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।

নোয়াখালীর রাজনীতিতে এমন অসংখ্য উদাহরণ সৃষ্টিকারী মিথুন ভট্ট বিগত নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান প্রস্তাবিত জেলা কমিটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে কেন্দ্রে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও তিনি অসাধারন সাংগঠনিক দক্ষতার কারনে দলে আরো ভালো অবস্থানে মূল্যায়িত হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও দুঃসময়ের এই নেতা আগামী নোয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। 

নোয়াখালী পৌরসভার ত্যাগী নেতাকর্মীরা তাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় জানান, মিথুন ভট্টকে মেয়র হিসেবে দল মনোনয়ন দিলে সকলে বরণ করে নিতে কোন কার্পন্য যেমন করবে না তেমনি শতভাগ অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে দলের জয় লাভ নিশ্চিত। 

তিনি ১৯৮৭ সালে ৪ঠা জানুয়ারি নবম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে পড়েন। ১৯৮৭ সালে নোয়াখালীর রাজনীতির অঙ্গনে রাজপথ ছিলো উত্তপ্ত কিন্তু নেতৃত্ব ছিলো শুন্য। হাজার হাজার ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে মিথুন ভট্ট তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বের কারণে মিথুন ভট্ট তৎকালীন সময়ে আলোচনার শিরোমনি হন।

১৯৯২-৯৩ সালে তার নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতায় মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ নোয়াখালী শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রদান করেন।

১৯৯৬ সালে দল ক্ষমতা আসার পর ১৯৯৭ /৯৮সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক মনোনিত করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে দায়িত্ব গ্রহণ না করে ছোট ভাই কে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নাম প্রস্তাব করেন এবং কেন্দ্র সম্মেলনে তা অনুমোদন প্রদান করে। পরবর্তীতে মিথুন ভট্টকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে। 

প্রকৃত অর্থেই দল ক্ষমতায় কিন্তু সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে একজন নিরংহকার মানুষ মেয়র পদপ্রার্থী মিথুন ভট্ট। পারিবারিক ভাবে তিনি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। শিক্ষাগত ও সকল যোগ্যতার বিচারে সর্বজন গ্রহন যোগ্য। তাই নোয়াখালী পৌরবাসী মনে করেন মিথুন ভট্ট মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার সকল নাগরিক সুবিধা শতভাগ বাস্তবায়ন হবে।

আমারসংবাদ/কেএস