বরিশালে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসা এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির বিক্ষোভে যোগ দিতে বিভিন্নস্থান থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের খণ্ড খণ্ড মিছিল দলীয় কার্যালয়ে যেতে চাইলে সদর রোড এবং অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে তাদের তিন দফায় লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

সোমবার (২২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বরিশাল নগরীর সদর রোডের দলীয় কার্যালয় চত্বরে মহানগর ও জেলা উত্তর-দক্ষিণ বিএনপি’র যৌথ উদ্যোগে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তবে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সদর রোডসহ আশপাশের এলাকায় মোতায়েন ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

বিএনপির ওই বিক্ষোভ সমাবেশে মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান নান্টু ও বিশেষ বক্তা ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ। 

এছাড়া মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া এবং মহানগর যুবদল সভাপতি আক্তারুজ্জামান শামীমসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বেগম জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং বিদেশে সুচিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক অভিযোগ করে বলেছেন, বিনা উসকানিতে পুলিশ বিএনপির মিছিলে লাঠিচার্জ করেছে। তিনি দাবি করেন, পুলিশ বিএনপির সাথে সংঘাত বাধাতে চায়। 

দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান নান্টু অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বানচাল করতেই মিছিলে পুলিশ হামলা চালিয়েছে।

অপরদিকে বিএনপির মিছিলে লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করে মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি সার্কেলের সহকারী কমিশনার শারমিন সুলতানা রাখি বলেন, বিএনপির সমাবেশ করার অনুমতি রয়েছে। তাছাড়া তারা বড় বড় মিছিল নিয়ে সমাবেশে গেলে সদর রোডে যানজট বেধে যায়। জনগণের চলাচলে সমস্যা হয়। যার কারণে তাদের শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে বলা হয়েছে।