Amar Sangbad
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯

জাহাজ চলাচল বন্ধ, দ্বীপে আটকা সহস্রাধিক পর্যটক

আমার সংবাদ ডেস্ক

ডিসেম্বর ৫, ২০২১, ০৩:৪৫ এএম


জাহাজ চলাচল বন্ধ, দ্বীপে আটকা সহস্রাধিক পর্যটক

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচলকারী পর্যটকবাহী জাহাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। দ্বীপে বেড়াতে যাওয়া প্রায় এক হাজার পর্যটক অবস্থান করছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আবার চলাচল শুরু হবে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
 
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৬ নভেম্বর থেকে এ নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে ছয়টি জাহাজকে অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। 

জাহাজগুলো হলো-সুকান্ত বাবু, গ্রিন লাইন-১, এমভি পারিজাত, এমভি ফারহান-১, কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন। জাওয়াদের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে পানি ফুলে কিছুটা উত্তাল থাকলেও দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা তা উপেক্ষা করে সেন্টমার্টিন সমুদ্রে ঘুরাঘুরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় জাহাজ চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এখানে প্রায় এক হাজার পর্যটক দ্বীপে রাত্রিযাপন করছেন। তারা ভালো আছেন। তাদের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে।’

জাহাজ কেয়ারি সিন্দবাদ ও কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইনের টেকনাফের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম বলেন, ‘জাওয়াদের কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আবার চলাচল শুরু হবে।’

সুকান্ত বাবু জাহাজের টেকনাফের ইনচার্জ শোয়েব শরীফ জানান, ‘জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে রোববার
সেন্টমার্টিন নৌপথে সব পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। দ্বীপে বেড়াতে যাওয়া পর্যটক অবস্থান করছে। বৈরি আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পর্যটকদের ফেরত আনা হবে।’

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করবে।  

আমারসংবাদ/এআই