প্রাথমিক শিক্ষা পদকে রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। একই পদকে নাটোর জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ। তাঁদের এই অর্জনে নাটোর জেলা ও গুরুদাসপুর উপজেলাজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে।
এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনে দক্ষতা, সততা, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই দুই নারী কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে শিক্ষা, সুশাসন, আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক উন্নয়ন এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম দুদু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বলেন, “রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে গুরুদাসপুরবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি এসেছে এবং গুরুদাসপুরের সার্বিক চিত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে।”
তাঁরা আরও বলেন, “জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন নাটোর জেলার প্রতিটি উপজেলার কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন। তাঁর বিচক্ষণ নেতৃত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতার কারণে জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। শিক্ষা, উন্নয়ন ও জনসেবায় তাঁর কার্যকর পদক্ষেপ নাটোরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এই দুই নারী কর্মকর্তা তাঁদের কর্মনিষ্ঠা, মানবিকতা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। এই স্বীকৃতি শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং নাটোর জেলার প্রশাসনিক সাফল্যেরও প্রতিফলন।
বিভাগ ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ আসমা শাহীন ও ফাহমিদা আফরোজকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এই দুই কর্মকর্তা তাঁদের দক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে নাটোর জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
স্থানীয়রা তাঁদের “নাটোরের দুই নারী নক্ষত্র” হিসেবে অভিহিত করে গর্ব প্রকাশ করেছেন।
এম জি