জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করি, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করি, এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস পালন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটি উদযাপনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে মাটিরাঙ্গা উপজেলা সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার অনুপম শীলের সঞ্চালনায় মাটিরাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেজবাহ উদ্দিন, মাটিরাঙ্গা থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মো.শরীফ বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আব্দুল গণি, বেলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রহমত উল্লাহ, বড়নাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.ইলিয়াছ সহ উপজেলার সকল ইউপি সচিব, পৌরসভার উদ্যোক্তা বক্তব্য রাখেন।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী বলেন, একটি শিশুর জন্মের পর আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে তার জন্ম নিবন্ধন করা। সরকারের ১৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা পেতে জন্ম নিবন্ধন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই জন্মনিবন্ধন তার পরিচয় বহন করে। জন্ম নিবন্ধন থাকলে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকৃত তথ্য নিরূপণ করা সহজ হয়। তাই সময়মত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করার জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন অনুযায়ী শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন, কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী সচিবদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় কাজ করেন, উপজেলায় প্রতি তিন মাস পর উপজেলার শ্রেষ্ঠ ইউপি ও শ্রেষ্ঠ ইউপি সচিবদের পুরুস্কার ঘোষণা দেন তিনি।
আলোচনা সভা শেষে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধনে জেলার শ্রেষ্ঠ তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভুঁইয়া ও উপজেলার শ্রেষ্ঠ তবলছড়ি ইউপি সচিব মো. ওসমান গনি ও শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম পুলিশ মো. মঞ্জুর হোসেন জম্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় সম্মাননা ক্রেস্ট তুলেদেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।
জয়নাল/এআরএস