চুুয়াডাঙ্গায় শিক্ষককে চড় মারার ঘটনার মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাইফুল আমিন শীর্ষন জামিন না মঞ্জুর করে যশোর শিশু সংশোধনাগারে পাঠিয়েছে বিজ্ঞ আদালত।
এছাড়া বিদ্যালয়ের সকল পরিক্ষা থেকে থেকে ওই ছাত্রকে বহিস্কার করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানাযায়, আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাইফুল আমিন শীর্ষ সেচ্ছায় চুুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ (নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল) আদালতে হাজির হয়ে জামিনর আবেদন করে।
আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মুসরাত জেরিন সরকারী কাজে বাধাদান ও শিক্ষককে লাঞ্চিত করার অপরাধে ছাত্রের জামিন না মঞ্জুর করে যশোর শিশু সংশোধনাগারে প্রেরণ করেন।
অপরদিকে, এঘটনায় আজ মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিলসহ শাস্তির দাবীতে শিক্ষার্থী ও জাতীয় শিক্ষক ফোরামের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের সামনে ও চৌরাস্তার মোড়ে এক প্রতিবাদসভা, মানবন্ধন ও সড়কে অবরোধ করা হয়।
একই দাবীতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা মানববন্ধন করেছে।
উল্লেখ্য উল্লেখ্য গত রবিবার ৮ অক্টোবর ভিক্টোরিয়া জুবেলি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি নির্বাচনি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনে বাঁধা দেওয়ায় ও খাতা কেড়ে নেওয়ায় পরীক্ষার্থি সাইফুল আমিন শীর্ষ তার শিক্ষকের গালে স্বজরে চড় থাপ্পড় মেরে স্কুল থেকে পালিয়ে যায়।
এঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ শফিয়ার রহমান বাদী হয়ে চুুয়াডাঙ্গায় সদর থানায় গত ৯ অক্টোবর মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করে শিক্ষার্থী।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা জানান, অভিযুক্ত ছাত্রকে তার সকল পরীক্ষা থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে তার ছাত্রত্বের বিষটি কি হবে তা পরে জানানো হবে।
তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও ছাত্র শিক্ষকদের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের উন্নয়ন কিভাবে হয় সে বিষয়ে ম্যানেজিং কমটির আজকের বৈঠক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।
আরএস