বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি

বসতবাড়ির ফাটল, ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

দিনাজপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২৪, ০২:৫৮ পিএম

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি হওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পাতরাপাড়া এলাকার ঘরবাড়ি ফাটলের ক্ষতিপূরণ দ্রুত দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন পাতরাপাড়া মোড়ে ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. মুনতাসির আফসানি মুন্না।

এ সময় উপস্থিত থেকে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, মো. মামুনুর রশীদ মামুন, মো. মনিরম্নজ্জামান, মো. আলমগীর হোসেন, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হিটলার, মো. আবুল কালাম আজাদ নুর মোহাম্মদ, মো. কিবরিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী জানান, আমাদের ২০০৯ সালে পেট্রোবাংলার সাথে সমঝোতা স্মারকে ১০ দফা দাবি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই ১০ দফা চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন করা হয় নাই। এই ১০ দফা চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তিতে কে বা কাহারা পেশি শক্তি ব্যবহার করে সোলার প্রকল্প এর নামে জোর জবরদস্তি করে দখল করার পাঁয়তারা করছে। এতে খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন ক্ষিপ্ত, যাহা সম্পর্কে আমরা কেউ অবগত নই। জবরদখলের প্রতিবাদ করায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অসহায় কিছু মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, এই মিথ্যা মামলা অতিদ্রম্নত প্রত্যাহার করা হউক।

এই এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি দেশে না আসা পর্যন্ত কোন প্রকার সোলার প্রকল্পের কার্যক্রম চালানো যাবে না।

কয়খনির কিছু কর্মকর্তা ও বহিরাগত কিছু অসাধু কোম্পানি স্থানীয় কিছু প্রতিনিধির সহযোগিতায় এই জমিতে ঘেরা বেড়া দিচ্ছে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। সাত দিনের মধ্যে আমাদের ফাটা ঘরবাড়ির টাকা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণের মাঝে প্রদান করতে হবে। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণের প্রতি সুদৃষ্টি দিয়ে দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

আগামী ৭ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণসহ দাবি দাওয়া বাস্তবায়ন না হলে, কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

ইএইচ