ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তাবিত আসন বিন্যাসের শুনানিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিএনপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ সম্পাদক ও সরাইল-২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী রুমিন ফারহানার সমর্থকেরা এনসিপির নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে। তারা রুমিন ফারহানাকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছেন।
সোমবার দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চান্দুরা এলাকায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের শুনানিকালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) মো. আতাউল্লাহ ও তার সহযোগীদের উপর রুমিন ফারহানা ও তার সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালান। তাই তারা অবিলম্বে তার গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপি’র সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ, বিজয়নগর উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আমিনুল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য রাষ্টু সরকার এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান।
আতাউল্লাহ বলেন, “আমার নাম শুনানিতে না থাকার মাধ্যমে আমাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। তারা জানে না, জুলাইযোদ্ধারা কখনো ম্যানেজ হয়নি। রুমিন ফারহানা রাতের অন্ধকারে বিজয়নগর থেকে ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন সরাইল-আশুগঞ্জ আসনে যুক্ত করতে চাচ্ছে। কিন্তু বিজয়নগরের জনগণ চায় ১০টি ইউনিয়ন একসাথে থাকতে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বিগত জাতীয় নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে রুমিন ফারহানা অন্ধকারে ভোট ও ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে এমপি হয়েছেন এবং সেই সময় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন। তিনি চান্দুরা, বুধন্তী ও হরষপুর ইউনিয়ন নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন, যা বিজয়নগরবাসী মেনে নেবে না।”
বিক্ষোভ চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উভয় দিকে আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শেষে মহাসড়ক পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
ইএইচ