শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে মাগুরা জুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা চলছে পুরোদমে।
এ বছর জেলায় মোট ১০৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
মাগুরা সদর উপজেলায় এবার ৪৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখযোগ্য মণ্ডপগুলো: মাগুরা ছানার বটতলা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, গোলকনগর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, সিমুলিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, নতুন বাজার কালি মন্দির, নিজনান্দুয়ালী ভাঙা বটতলা দুর্গা মন্দির, জামরুল তলা দুর্গা মন্দির, কুকনা দুর্গা মন্দির, পারনান্দুয়ালী আশ্রমপাড়া দুর্গা মন্দির, সাতদোহা গঙ্গা দুর্গা মন্দির।
শ্রীপুর উপজেলায় ২৭টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখযোগ্য: বাটিকাডাঙ্গা বৈদ্যবাড়ি নামযজ্ঞ মন্দির, জামরুলতলা দুর্গা মন্দির, আড়পাড়া সার্বজনীন কালি মন্দির, কেচুয়াডুবি দুর্গা মন্দির, শৈলডুবি কালি মন্দির। মহম্মদপুর উপজেলায় ২০টি এবং শালিখা উপজেলায় ১৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমরেশ চক্রবর্তী বলেন, “এ বছর জেলায় ১০৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মণ্ডপে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। আশা করছি, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদ্যাপিত হবে।”
জেলা প্রশাসক অহিদুল ইসলাম জানান, “প্রতিটি মণ্ডপে নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, আনসার ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে।”
জেলা পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা বলেন, “শহরের কেন্দ্রীয় মণ্ডপগুলোতে টহল জোরদার করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে পুলিশ।”
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট, মাগুরা জেলা শাখার আহ্বায়ক এড. কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস বলেন, “মাগুরার প্রতিটি মণ্ডপে দুর্গাপূজা আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে উদ্যাপন করতে উৎসাহিত করছি। সবাইকে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানাই। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে উৎসব উদ্যাপন করা হবে।”
তথ্য অনুযায়ী, সদর উপজেলায় ৪৫টি, শ্রীপুরে ২৭টি, মহম্মদপুরে ২০টি ও শালিখায় ১৫টি মণ্ডপে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবে প্রতিটি মণ্ডপে ভক্ত-দর্শনার্থীর উপচেপড়া ভিড় থাকবে। দুর্গাপূজা আনুষ্ঠানিকভাবে মহাষষ্ঠী থেকে শুরু হবে।
ইএইচ