বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী, নাটোর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার নির্দেশেই ছাত্রলীগের খুনিরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীকে গুলি করেছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে নাটোর জেলা বিএনপির আয়োজনে জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
দুলু বলেন, হাদির ওপর হামলাকারী ঢাকার আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি। হাদির ফেসবুক আইডিতে ওই হামলাকারীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নানকের ছবি রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে শেখ হাসিনা ও পুরো আওয়ামী লীগ জড়িত।
তিনি আরও দাবি করেন, এই হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ শুধু শরীফ ওসমান হাদীকে হত্যা করার চেষ্টা করেনি, বরং পুরো দেশের মানুষকে ভয় দেখানোর অপচেষ্টা চালিয়েছে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে ধ্বংস করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
সমাবেশে দুলু বলেন, “জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে জড়িত সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পরাজিত শক্তি বারবার দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার চেষ্টা করবে। এজন্য আমাদের সতর্ক, সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
তিনি অবিলম্বে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীকে গুলিবর্ষণকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
সমাবেশ শেষে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কানাইখালী এলাকায় নাটোর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, সদস্য শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, কাজী শাহ আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন তুষার এবং জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আবু রায়হান ভুলু প্রমুখ।
জেএইচআর