দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ডিজেল ও এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এসে পৌঁছাচ্ছে আরও চারটি বড় জাহাজ।
সোমবার বিকেলে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা দুই লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
প্রতিটি জাহাজে এক লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন করে ডিজেল রয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ রাতেই এই জ্বালানি তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা।
এদিকে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহেও আশার আলো দেখা যাচ্ছে। এক লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া আজ সোমবার ‘লুসাইল’ এবং আগামী বুধবার ‘আল গালায়েল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এই চার জাহাজে সব মিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। পাশাপাশি গত বুধবার খোলাবাজার থেকেও আরও দুটি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় কিছু জাহাজ আটকা পড়েছে। সৌদি আরবের রাস তানুয়া বন্দরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে ‘নর্ডিক পলাঙ’ নামের একটি জাহাজ গত ২ মার্চ রওনা হওয়ার কথা থাকলেও সেটি এখনও নোঙর করে আছে। একইভাবে কাতার থেকে ৬২ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকার পারস্য উপসাগরে আটকে আছে।
অন্যদিকে, আগামী ২১ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী ধান্না বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে আরেকটি জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঝুঁকি এড়াতে এই জাহাজটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প নৌপথ ব্যবহার করে দেশে আসবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
জেএইচআর