চট্টগ্রামের পটিয়ায় মধুনাঘাট-মহেশখালী ৭৬৫ কেভি পাওয়ার ট্রান্সমিশন লাইন প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণে এক জনমত যাচাই ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকালে জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি এই সভার আয়োজন করে।
মধুনাঘাট-মহেশখালী (এবং মধুনাঘাট-ভুলতা) ৭৬৫ কেভি পাওয়ার ট্রান্সমিশন লাইন প্রকল্পটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের জন্য একটি মেগা প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো মাতারবাড়ি ও মহেশখালী পাওয়ার হাব থেকে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা। এটি দেশের প্রথম ৭৬৫ কেভি সঞ্চালন লাইন, যা পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়নের (ইএসআইএ) মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানির (আইআইএফসি) সহযোগিতায় আয়োজিত এই সভায় প্রকল্পের নানা ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়। বক্তারা জানান, জাতীয় বিদ্যুৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সঞ্চালন লাইনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সভায় প্রকল্পের কাজ চলাকালীন পরিবেশ রক্ষা এবং স্থানীয় সামাজিক প্রভাবগুলো বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বখতিয়ার উদ্দিন বকুলের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন পাওয়ার প্ল্যান্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তাপস কুমার ভৌমিক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমান।
এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের নাফিজা শের, নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম কায়েস উদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, উপ-ব্যবস্থাপক তারেক আহমেদ ভূইয়া এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন।
জেএইচআর