শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচার এবং ভারতের নিরীহ মুসলমানদের ওপর হামলা, বসতবাড়ি লুটপাট ও কবরে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ব্রাদার্স টাওয়ারের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জুমার নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছি, যখন পৃথিবীর একটা হিংস্র জনগোষ্ঠী মুসলমানদের ওপর হত্যা, নিপীড়ন ও আক্রমণ চালাচ্ছে, যা পৃথিবীর বুকে জীবন্ত এক কারবালার ময়দান। এমন পরিস্থিতিতে মজলুমের পক্ষে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা হয়তো সশরীরে সেখানে গিয়ে লড়াই করতে পারছি না, কিন্তু আমাদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হওয়া উচিত নয়।
তারা আরও বলেন, ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দেওয়া হলে আমরা এই তৌহিদী মুসলমানদের নিয়ে ভারতমুখী লং মার্চের ঘোষণা দেব। আমরা ওই হিন্দু উগ্রবাদীদের প্রতিহত করে মুসলমানদের অধিকার ফিরিয়ে দেবো। এজন্য যদি আমাদের জীবন দিতে হয়, আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, জুলুম কখনো চিরস্থায়ী হয় না। রাত যত গভীর হয়, ভোরের আলো তত কাছে আসে। ইনশাআল্লাহ, একদিন ভারত কয়েকটি ভূখণ্ডে ভাগ হয়ে যাবে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ফতুল্লা থানা ওলামা কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মুফতি ফয়জুল্লাহ, সিনিয়র সহসভাপতি মুফতি মাহদী বিন ইব্রাহিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা ওয়াজিউল্লা, সহ-সভাপতি মাওলানা মাহফুজ এবং ওলামা কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসহাক।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা শহিদুল, মাওলানা এনামুল হক সিরাজী, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা সারোয়ার, মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকসহ ওলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা।
জেএইচআর