ফুলছড়িতে কৃষি, পুষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ১৯, ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে কৃষি, পুষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) আল মুজাহিদ সরকার। তিনি বলেন, টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ। পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে।

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিপুন দেবনাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আকন্দ ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আনিছুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবুল খায়ের, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম সরকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, কৃষক সাদ্দাম হোসেন এবং কৃষাণী আকলিমা খাতুন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টিসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের প্রকল্প ভবিষ্যতে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকেরাও তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়ার ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণেও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক এবং পিএফএস ও নন-পিএফএস সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচআর