ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বিশ্ববাজারে এক সপ্তাহে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল ৩০ শতাংশ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ৭, ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম

বিশ্ববাজারে এক সপ্তাহে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল ৩০ শতাংশ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম গত এক সপ্তাহে নজিরবিহীনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। 

শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৮.৫ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

সংঘাত শুরুর মাত্র এক সপ্তাহেই তেলের দামে প্রায় ৩০ শতাংশ উল্লম্ফন দেখা দিল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্বল তথ্যের প্রভাবে আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে বিশ্বের জ্বালানি ও পরিবহন খাত বর্তমানে বিপর্যস্ত। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট চাহিদার এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করা হয়।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট নর্থ সি ক্রুড তেলের দাম শুক্রবার ৮.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৬৯ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেল চুক্তি ‘ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট’ ১২ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে তেলের দামের এই বৃদ্ধি ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে ইরাকের দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন তেলক্ষেত্রে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে মার্কিন পরিচালিত একটি তেলক্ষেত্রে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। পাশাপাশি ধারণক্ষমতার সংকটে কুয়েতও তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন, জ্বালানি তেলের এই উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে পুনরায় তীব্র মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। এতে বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার কমানোর সক্ষমতাও সীমিত হয়ে পড়বে।

জেএইচআর

Link copied!