community-bank-bangladesh
Amar Sangbad
ঢাকা শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪,

ঢাবি এবং চীনের যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাবি প্রতিনিধি

মে ২৯, ২০২৪, ০৮:৩২ পিএম


ঢাবি এবং চীনের যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আজ ২৯ মে বুধবার এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
হয়েছে। ঢাবি উপাচার্য অফিস লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস
এম মাকসুদ কামাল এবং যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডুয়ান হংয়ুন নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ
উদ্দিন আহমেদ, ঢাবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সামাদ এবং কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়া অনুষ্ঠানে যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক লি ঝুহং, স্কুল অফ ইন্টারন্যাশনাল কালচার অ্যান্ড স্টাডি-এর ডিন অধ্যাপক ইয়াং চুন, একাডেমিক অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর অধ্যাপক তাং জিনলি, টিচার্স এডুকেশন অনুষদের ডেপুটি ডিন অধ্যাপক ঝিন সুমেই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়ং হুই উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম
পরিচালনা করবে। এছাড়াও দুটি বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, সম্মেলন, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ
কর্মসূচির আয়োজন করবে। উভয় পক্ষ এই সমঝোতা স্মারকের অধীনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গবেষক বিনিময়ের পাশাপাশি তথ্য ও গবেষণা সামগ্রী বিনিময় করবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা এবং এর সাথে যৌথ সহযোগিতামূলক
শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করায় যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডুয়ান হংয়ুনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও শিক্ষা কার্যক্রমসহ
বিভিন্ন বিষয় যুঝি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে উভয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যে সম্পর্ক আজ শুরু হলো, তা ভবিষতে আরও জোরদার হবে। এর ফলে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান দ্বি-পাক্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরএস

 

Link copied!