মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

বি.এম খোরশেদ, মানিকগঞ্জ প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ০১:১৭ পিএম
মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে জমি ও টাকা না দেওয়ায় মাকে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের মান্দারতা গ্রামে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। 

বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর আলম মামুন। ঘটনার পর থেকে পলাতক নিহতের বড় ছেলে রবি ভদ্র(৪২)।

নিহত করুনা ভদ্র (৬৫) ওই গ্রামের মৃত বাঁশি ভদ্র সরকারের স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী।

পুলিশ ও পরিবারিক সূত্র জানায়, মা করুনা ভদ্রের নামে বাড়ির ১১৪ শতাংশ জমি রয়েছে। পোস্ট অফিসে টাকা জমা আছে প্রায় ৯ লাখ টাকা। এই টাকা ও জমি লিখে দেওয়ার জন্য মাকে অনেকদিন ধরেই চাপ দিয়ে আসছিলো লিভারজনিত রোগে গুরুতর অসুস্থ রবি ভদ্র।

এ নিয়ে মা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। বুধবার দিনে এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। প্রতিদিনের মতো রাতে মা করুনা ভদ্র তার ৬ বছরের নাতনিকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।পরে পাশের রুমে স্ত্রীসহ ঘুমিয়েছিল বড় ছেলে রবি ভদ্র।

রবি ভদ্রের স্ত্রী জয়া ভদ্র জানান, মধ্যরাতে মেয়ের কান্নার আওয়াজ শুনে তিনি পাশের রুমে যান। ঘরের বাতি জ্বালিয়ে দেখেন মেয়ের শরীর রক্তে ভেজা। পাশেই পড়ে আছে শাশুড়ির গলাকাটা মরদেহ। এসময় রবি ঘরে ছিলো না। বারান্দার গেটে বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর আলম মামুন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাকে নৃশংসভাবে হত্যার পর গেটে তালা দিয়ে রবি ভাদ্র পালিয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্ততি চলছে। দ্রুতই অভিযুক্ত রবিকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো।

জেএইচআর