জয়পুরহাটে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র্যালী শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা প্রাণীসম্পদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
"দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি: প্রাণীসম্পদ হবে উন্নতি এবং আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি" এ শ্লোগান নিয়ে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী উপলক্ষে এ র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা. মহির উদ্দীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জয়পুরহাটের নবাগত জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাঁচবিবি সার্কেল) তুহিন রেজা এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাশেদুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃত্রিম প্রজনন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. রস্তম আলী, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাসুদ রানা, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার রাফসিয়া জাহান, জেলা ট্রেনিং ডা. খুরশিদ আলম, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।
দিনব্যাপী প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ৩০টি স্টলে অংশ নেয়।
প্রধান অতিথি বলেন, “সোনালী মুরগী জয়পুরহাটের গর্ব। আমি চাই আরোও উন্নতি হোক। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অগ্রগতিকে আরোও ত্বরান্বিত করতে হবে। সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করে একটি মেধাবী জাতি গঠনের মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাণিজ আমিষের ভূমিকা অপরিহার্য। গ্রামীণ কর্মসংস্থান, সার্বিক বেকারত্ব হ্রাস ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি একটি স্বাস্থ্যবান প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম।”
উল্লেখ্য যে, জয়পুরহাট জেলার ৩ জন সফল উদ্যোক্তা প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে অবদানের জন্য সারা দেশে ১৫টি পদকের মধ্যে ৩টি পদকের জন্য (১টি স্বর্ণ ও ২টি রৌপ্য পদক) চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। পদক প্রাপ্তিতে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের শুভেচ্ছা ও সাধুবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পদক প্রাপ্তির পেছনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে তাদের পদক প্রাপ্তির কঠিনতম বন্ধুর পথকে সহজ করতে পারায় প্রাণিসম্পদ বিভাগ, জয়পুরহাট গর্ব অনুভব করছে।
প্রধান অতিথি পুনরায় বলেন, “সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করে একটি মেধাবী জাতি গঠনের মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রাণিজ আমিষের ভূমিকা অপরিহার্য। গ্রামীণ কর্মসংস্থান, সার্বিক বেকারত্ব হ্রাস ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি একটি স্বাস্থ্যবান প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম।”
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন