এক দিনের ব্যবধানে আজ ভোর থেকে আবারও ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে মেহেরপুর জেলা। এতে ব্যহত হচ্ছে যানবাহন চলাচল। কুয়াশার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এতে কর্মজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের কষ্টের সীমা নেই।
বুধবার ভোর থেকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। সাদা কুয়াশায় দেখা যাচ্ছে না সামনের কোন কিছু। দুর্ঘটনা এড়াতে ধীরে চলছে সকল প্রকার যানবাহন। তবে সড়কগুলো অন্যান্য দিনের তুলনায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে।
এদিকে, গেল কয়েকদিন থেকেই বাড়ছে শীতের তীব্রতা। গেল রাত থেকে তীব্র শীতের কবলে পড়েছেন মেহেরপুর জেলার মানুষ। শীত উপেক্ষা করে আজ সকালে যারা ঘর থেকে বের হয়েছেন তাদের কষ্ট সীমাহীন। অতিরিক্ত গরম কাপড় পরেও শীত নিবারণ হচ্ছে না। শীত আর কুয়াশার মধ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষেরা।
কাজের সন্ধানে আসা হাফিজুল ইসলাম বলেন গত দুই-তিন দিনের থেকে আজকে অতিরিক্ত কুয়াশা সাথে হালকা বাতাস রয়েছে শীতে একেবারে হাত-পা জড়ো হয়ে যাচ্ছে। সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বিপদে পড়েছি। কাজ করতে হবে তাছাড়া তো কোন উপায় নেই কারণ পেট আছে।
অটো চালক হামিদুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে সামান্য দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছে না তাই লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতা ফরিদ উদ্দিন বলেন অভাবের কারণেই এই ঘর কুয়াশায় মাছ বিক্রি করতে এসেছি অভাব না থাকলে তো আর এই এত কষ্ট করে মাছ বিক্রি করতে আসতাম না। পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই ঘর থেকে বের হতে হয়েছে
আজ সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন ১০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে সকাল ৯ টায় তাপমাত্রা কমে ১০.৫ রেকর্ড করেছে মেহেরপুরের প্রতিবেশী জেলা চুয়াডাঙ্গা জেলা আবহাওয়া অফিস। যা এ অঞ্চলে এই মৌসূমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন