উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামে ঠান্ডায় জনজীবন ভোগান্তিতে পড়েছে। ক্রমেই নামছে তাপমাত্রা। এই শীতে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পড়েছে ভ্যান চালক, রিক্সা চালক সহ শ্রমজীবী মানুষ।
শনিবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে এবং মৃদু শৈত্য প্রবাহ বইছে বলে জানিয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিস।
সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত জেলার মাঠ-ঘাট, গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে শহরের রাস্তাঘাট ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে পুরো অঞ্চল। ফলে খেটে খাওয়া ভ্যান চালক, রিক্সা চালক সহ শ্রমজীবী মানুষ সকালে সময়মতো কাজে যেতে পারছেনা।দূর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন রাস্তায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।
এদিকে হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া, সর্দি কাশি সহ শিশু ও বয়স্ক রোগীর ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে।
ধরলা নদী পাড়ের বাসিন্দা ভ্যান চালক জয়নাল মিয়া বলেন, এবার শীত মৌসুমে আজকে সবচেয়ে বেশী ঠান্ডা লাগছে।হাত-পা টাটায়।এজন্য সকালে ভ্যান নিয়ে বেড়াইনি।আরএকটু বেলা হলে বেড়াবো।তাছাড়া যতই ঠান্ডা হউক আমাদের কাজে বেড়াতে হয়্। না হলে খামু কি।
সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন এলাকার মাছ ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন-আমি প্রতিদিন যাত্রাপুর থেকে মাছ নিয়ে কুড়িগ্রাম শহরে বিক্রি করি। কিন্তু আজকে খুব কনকনে ঠান্ডা। পায়ের রগ টান মারে সাইকেল চালাতে পারছিনা।তাই মাঝে মাঝে একটু পায়ে হাটি যাই।সময় মতো বাজারে না গেলে মাছের ভালো দাম পাবোনা।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, বর্তমানে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমছে। এ মাসে আরও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
এদিকে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ উপজেলায় শীতার্তদের কম্বল বিতরণ অব্যহত রয়েছে।
এছাড়াও প্রতিরাতে শহরে ফুটপাতে অসহায় ও তৃনমূল মানুষের মাঝে নিজহাতে কম্বল বিতরণ করছে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন