আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের তিনটি সংসদীয় আসনে দাখিলকৃত ২৭টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া তথ্যগত সামান্য ত্রুটি থাকায় ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
শনিবার নিজ কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শুনানি শেষে এই ঘোষণা দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তুরস্ক প্রবাসী শিহাব আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় তাঁর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম, ডা. আবু সামা এবং খেলাফত মজলিশের আবুল কাসেমের মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসন থেকে আব্দুর রহমান নামে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। অন্যদিকে, লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের এবি পার্টির ফিরোজ কবির এবং লালমনিরহাট-১ আসনের লেবার পার্টির শুভ আহমেদের মনোনয়ন সামান্য ত্রুটির কারণে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
মনোনয়ন নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় থাকা জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গার (লালমনিরহাট-১) মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। লালমনিরহাট-২ আসনে জনতার দলের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার শামীম কামাল এবং লালমনিরহাট-৩ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুর মনোনয়নপত্র বৈধতা পেয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচএম রকিব হায়দার বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ৫টি মনোনয়ন বাতিল ও ২টি অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। অপেক্ষমাণ প্রার্থীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সমাধান করলে বৈধতা পাবেন। আর যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, তারা বিধি অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন