নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চানন্দী ইউনিয়নে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, সেখানে মারামারি হয়েছে, তবে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
শনিবার রাত ১০টার দিকে হাতিয়া সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমের কাছে এই দাবি করেন।
শুক্রবার রাতে হাতিয়া চাননন্দী ইউনিয়নে এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার কারণে তিন সন্তানের জননীকে (৩২) নিজ ঘরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে নোয়াখালী ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। পরে তাঁকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা শেষে হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় নলেরচর একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একজন নারী অভিযোগ করেছেন যে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেনে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে একজন অ্যাডিশনাল এসপিকে পাঠানো হয়। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেখানে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে আশ্রয়ণ প্রকল্পে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, সে ঘটনার দুই ঘণ্টা আগে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তবু আমরা লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
এদিকে এঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন নোয়াখালী হাতিয়া ৬ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ।
এ বিষয়ে রবিবার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন রনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘দিনভর যে ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।’
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন