গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের মতবিনিময়

নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের মতবিনিময়

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিষয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, নোবিপ্রবি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাডেমিক ও গবেষণা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

টাইমস হায়ার এডুকেশনের সর্বশেষ মূল্যায়নে গবেষণা সূচকে নোবিপ্রবি বিশ্বে ৭২২তম এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১২তম স্থান অর্জন করেছে। উপাচার্য জানান, অবকাঠামো উন্নয়নে ৩৩৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। যার মাধ্যমে নতুন একাডেমিক ভবন ও স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।

গবেষণায় নারীদের উৎসাহিত করতে ‘বেস্ট ফিমেল রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড’ চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া গত দেড় বছরে বিশ্বের খ্যাতনামা ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপাচার্য উল্লেখ করেন, হিট প্রজেক্টে নোবিপ্রবির শিক্ষকরা সাতটি প্রকল্প নিয়ে এসেছেন। পাশাপাশি ৩০টি ক্লাসরুম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উপাচার্য বলেন, আমরা চার ধাপে যাচাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগে লিখিত, মৌখিক এবং উপস্থাপনার মাধ্যমে মেধা যাচাই করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবীরাই সুযোগ পাচ্ছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় কর্মশালা ও মেডিকেল সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রতিটি হলে গ্যাস, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন ও সুপারশপসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান বৃদ্ধিতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচআর