রাজবাড়ীর পাংশায় এক নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
বুধবার সকালে র্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- পাংশা পৌর তরুণদলের সভাপতি ও কুলাটিয়া গ্রামের হাসিবুর রহমান অন্তর (৪০) এবং পারনারায়নপুর গ্রামের মো. বরকত মুন্সী (৩৪)। র্যাব জানায়, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পাশের জেলা কুষ্টিয়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ঘটনার পরদিনই মামলার ২ নম্বর আসামি রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ বিকেলে ভুক্তভোগী নারী পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় আসামিরা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়। এরপর চলন্ত গাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে রাত ৭টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে কুষ্টিয়া সদর এলাকার একটি ফাঁকা জায়গায় ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই প্রধান দুই আসামি আত্মগোপনে ছিল। র্যাব-১০-এর কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ইতোমধ্যে পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন