রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পদ্মা নদীর কলাবাগান এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে ১০ জনকে আটক এবং ১টি ড্রেজার (কাটার) মেশিন ও ২টি ক্যারিং বডি (বাল্কহেড) জব্দ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া এলাকার মৃত জামাল শেখের ছেলে মো. মিজান শেখ (৪৫), বরগুনা জেলার বাবনা উপজেলার গলয় বুনিয়া এলাকার হালিম আকনের ছেলে শাকিল আকন (১৮), পটুয়াখালী সদর উপজেলার জনকাঠি এলাকার সানু ফকিরের ছেলে জাকারিয়া ফকির (১৮), রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বড় মসজিদপাড়া এলাকার জাবাই মন্ডলের ছেলে আনো মন্ডল (৩০), একই উপজেলার ছাত্তার মেম্বারপাড়া এলাকার মনছের শেখের ছেলে শাহিন শেখ (৩০), পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার বলেশ্বর এলাকার জাকির হাওলাদারের ছেলে মো. রাকিব হাওলাদার (১৮), বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জালিরচর গ্রামের রফিজ উদ্দিন বেপারীর ছেলে নিজাম বেপারী (৪৫), পটুয়াখালী সদর উপজেলার পশ্চিম আতালিয়া গ্রামের নজরুল শিকদারের ছেলে সাইদুল সিকদার (২৪), বরগুনা জেলার বাবনা উপজেলার পূর্ব বলগানিয়া এলাকার মো. মোতালেবের ছেলে মো. ইয়াসিন (১৮) এবং মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার চর জানা জাত এলাকার আব্দুর মাতব্বরের ছেলে আবুল কালাম (৪২)।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দৌলতদিয়া ইউনিয়নের পদ্মা নদীর কলাবাগান এলাকায় গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খানের নেতৃত্বে কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় রাত ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ১টি ড্রেজার (কাটার) মেশিন এবং ২টি ক্যারিং বডি (বাল্কহেড) জব্দ করা হয় এবং ১০ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা, রাজবাড়ী কোস্টগার্ডের কনটিনজেন্ট কমান্ডার মো. শাহিন আলমসহ অন্যান্য সদস্যরা।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান জানান, দৌলতদিয়া কলাবাগান এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১টি ড্রেজার (কাটার) মেশিন ও ২টি ক্যারিং বডি (বাল্কহেড) জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ধারা ৪ লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী তাদের ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। জব্দকৃত কাটার ও ক্যারিং বডি দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন