মধ্যনগরের আখড়া সংলগ্ন ফসলরক্ষা বাঁধটি বারোমাসি সড়কে রূপান্তর করা হলে নেত্রকোনার কলমাকান্দা ও সুনামগঞ্জের মধ্যনগরের মধ্যে সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। চারদিকে পানির থইথই অবস্থা থাকলেও বর্তমানে এই বাঁধের ওপর দিয়ে ছোট যানবাহন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। তবে বাঁধটি বারোমাসি না হওয়ায় সামান্য ঝড়ো হাওয়াতেই এটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এটি স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হলে হাওরবাসীর চিকিৎসাসেবা, রাজধানীর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ, জনজীবনের মানোন্নয়ন এবং অসংখ্য যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি হাজারো যানবাহন চালক ও যাত্রী ব্যাপক সুবিধা পাবেন। এতে মধ্যনগরের পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ দুই উপজেলার মধ্যে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবেন। শুধু মধ্যনগর থেকে গলহা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তা স্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হলেই এ সুবিধা মিলবে।
স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও তীরবর্তী এলাকার মানুষ মধ্যনগরের প্রতিবেশী কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামের কৃতিসন্তান এবং বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়ছার কামালের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এই বাঁধটি স্থায়ী করার দাবিতে বক্তব্য দেন প্রভাষক গোলাম জিলানী, শিক্ষক পলাশ সরকার, সনাতন দাস, কাচামিয়া, স্থানীয় বাসিন্দা, যাতায়াতকারীসহ অসংখ্য যানবাহন শ্রমিক।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি মধ্যনগরের বাঁধ পরিদর্শনে এসে বলেন, সারাদেশেই এ ধরনের প্রস্তাব রয়েছে। বিষয়টি আমরা ভেবে দেখছি।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন