রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাকশী রেলওয়ে কলেজে সেমিনার ও গম্ভীরা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় অংশীজনদের মধ্যে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ধারণা পৌঁছে দেওয়া হয়।
বুধবার কলেজ প্রাঙ্গণে “পারমাণবিক বিদ্যুৎ- মিথ ও বাস্তবতা এবং জনস্বার্থ” শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের মৌলিক ধারণা, রিঅ্যাক্টর স্টার্ট-আপ ও পাওয়ার স্কেলেশন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় রূপপুর প্রকল্পের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিয়ে সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন ভুল ধারণা দূর করতে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক মো. খাইরুল ইসলাম। এছাড়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পক্ষ থেকে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আছমা বেগম, গণমাধ্যম ফোকাল পয়েন্ট সৈকত আহমেদ, জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ ইকবাল হাসানী এবং কমিউনিকেশন ম্যানেজার আহসান হাবিব উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্রের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. আশিক হায়দার এবং সভাপতিত্ব করেন পাকশী রেলওয়ে কলেজের অধ্যক্ষ।
প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং বিশেষজ্ঞরা তার উত্তর দেন।
সেমিনারের পাশাপাশি একই দিনে কলেজ প্রাঙ্গণে একটি গম্ভীরা পরিবেশনারও আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রযোজনায় “স্মার্ট গম্ভীরা দল” রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, পরিবেশগত দিক এবং দেশের উন্নয়নে এর অবদান সহজ ও বিনোদনমূলকভাবে তুলে ধরে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন