ধার নেওয়া টাকাকে সুদে বাড়িয়ে এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পের অপব্যবহার করে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুইবারের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. ফাতেমা খাতুন লতা। একই সঙ্গে তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ণ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে চরিত্র হনন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার বেলা ১১টায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এসব অভিযোগ জানান।
লিখিত বক্তব্যে ফাতেমা খাতুন লতা জানান, পারিবারিক ও আর্থিক সম্পর্কের সূত্র ধরে তাঁর ভাজতি জামাই নুরুজ্জামানের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে তিনি কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন। বিশেষ করে ২০২৩ সালের উপনির্বাচনের সময় নেওয়া ধারের টাকা ভোট শেষ হওয়ার পর সুদে-আসলে পরিশোধও করেন।
লতা অভিযোগ করে বলেন, টাকা পরিশোধ করলেও নুরুজ্জামানের অনেক অনৈতিক চাওয়া-পাওয়া ছিল। আমি তাঁর অনৈতিক কোনো কাজে রাজি না হওয়ায় তিনি প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠেন। পূর্বের ধারের বিপরীতে তাঁর কাছে জমা থাকা আমার স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেকের পাতা ও স্ট্যাম্পের অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অঙ্কের চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছেন।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন