এমপি মানিক

শহিদদের আত্মত্যাগ জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে

এমরান হোসেন রাজন, চাঁদপুর প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম
শহিদদের আত্মত্যাগ জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে

চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণ ছাড়া সেই আন্দোলনের সফলতা এবং পরবর্তী পরিবর্তন সম্ভব হতো না।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টায় জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি মানিক বলেন, জুলাই আন্দোলনে শহিদ পরিবারের বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তাঁদের আত্মত্যাগের যথাযথ সম্মান জানাতে প্রতি বছর জুলাই শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. এন. জামিউল হিকমা।

সভায় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করেন জুলাই যোদ্ধা সাজ্জাদের বাবা জসিম রেজা। এছাড়া বক্তব্য দেন জিয়াউর রহমান সোহাগ, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মামুন খান, সদস্য ফজলুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জিহাদ হোসেন, গাজী বাহার, জুলাই যোদ্ধা নাজমুত সালাত সাকিব এবং সাগর হোসেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসিম আহমেদ টিটো, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কোহিনুর আক্তার, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কালেক্টরেট মসজিদের খতিব মাওলানা মোশাররফ হোসাইন।

এর আগে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসংলগ্ন জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

এম জি