গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে দধির সঙ্গে চেতনানাশক পদার্থ মিশিয়ে মা ও কিশোরী মেয়েকে অচেতন করে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে কোনাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইকেল বনিক ও জিএমপি কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সহযোগিতায় কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে অভিযুক্ত মো. রাশিদুল পালোয়ানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জয়দেবপুর থানার আরগড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইকেল বনিক জানান, এ ঘটনায় রাশিদুল পালোয়ান ও অভি কুমার দাসকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী সুমতি মজুমদারের ছেলে সজল মজুমদারের সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে গত ৭ জুলাই গভীর রাতে অভিযুক্তদের একজন তাদের বাড়িতে দধির সঙ্গে চেতনানাশক পদার্থ মিশিয়ে পাঠান। দধি খাওয়ার পর বাদী ও তাঁর কিশোরী মেয়ে অসুস্থ হয়ে অচেতন অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়েন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই সুযোগে ভোররাতে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তবে কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যদের ঘুম ভেঙে গেলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় মা ও মেয়েকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন