প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার কোনো ব্যবস্থা নেই, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
শুক্রবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জনমনে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান রাখা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়না নামা উপস্থাপন করতে পারলে নিয়মিত হারে মূলধনী মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এবার একই ধরনের সুবিধা সম্পত্তি বা ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল। কারণ অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্যের তুলনায় কম দামে ফ্ল্যাট বা স্থাবর সম্পত্তি নিবন্ধন করা হয়। পরে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে পারলে ক্রেতাদের অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়।
এই পরিস্থিতিতে স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রকৃত মূল্য ঘোষণা করলে নিয়মিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর পরিশোধের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল বলে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। তবে এ ধরনের বিধান নিয়ে আপত্তি থাকলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এম জি
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন