বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম

বিশ্ববাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ায় সরবরাহ বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৪২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭১ দশমিক ৭০ ডলারে নেমে আসে। আগের কার্যদিবসে ব্রেন্টের দাম শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছিল।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৮ দশমিক ৪২ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের কারণে আগের দিনে বাজার বন্ধ থাকায় আনুষ্ঠানিক নিষ্পত্তিমূল্য নির্ধারিত হয়নি।

গত সপ্তাহে তেলের দাম প্রায় স্থিতিশীল ছিল, যদিও তার আগের কয়েক সপ্তাহে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। এ সময় বিনিয়োগকারীরা হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা এবং উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ পুনরুদ্ধারের বিষয়গুলো নজরে রাখেন।

রোববার ওপেক ও রাশিয়াসহ মিত্র দেশগুলো আগস্ট থেকে দৈনিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা আরও ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে জুন ও জুলাইয়েও একই পরিমাণ উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সরবরাহে বিঘ্নের কারণে এই উৎপাদন বৃদ্ধি পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত কোটাও পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

রয়টার্সের জরিপ অনুযায়ী, জুনে ওপেকের তেল উৎপাদন দৈনিক ৩৩ লাখ ব্যারেল বেড়ে ১ কোটি ৯৪৩ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, যা দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে অন্যতম বড় বৃদ্ধি।

অন্যদিকে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরগুলো থেকে রপ্তানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটি অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এম জি