সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ১০৯০ কোটি ১৫ লাখ টাকার অধিকতর সম্প্রসারণ উন্নয়ন প্রকল্প।
সোমবার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের নতুন প্রকল্প অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রোগ্রামিং কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুল প্রত্যাশিত উন্নয়ন প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্য (সচিব) এস এম শাকিল আখতারের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটিতে ১২ তলা একাডেমিক ভবন, ১০ তলাবিশিষ্ট ৩টি ছাত্র হল, ১০ তলাবিশিষ্ট ২টি ছাত্রী হল, ৭ তলাবিশিষ্ট সমন্বিত অ্যাক্টিভিটি সেন্টার, ২ তলাবিশিষ্ট শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, ১০ তলাবিশিষ্ট শিক্ষক কোয়ার্টার, ১০ তলাবিশিষ্ট অফিসার্স কোয়ার্টার, ১০ তলাবিশিষ্ট স্টাফ কোয়ার্টার, মন্দির নির্মাণ, সাবস্টেশন ভবন, পাম্প হাউস ভবন, লাইব্রেরি ভবনের উল্লম্ব সম্প্রসারণ, মসজিদ ভবনের উল্লম্ব সম্প্রসারণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, স্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ সিস্টেম স্থাপন, বহিরাগত জল বিতরণ লাইন স্থাপন, গভীর নলকূপ খননসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রকল্পটির সম্ভাব্য বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পটি সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে মনে করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, গত বছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯০ কোটি ১৫ লাখ টাকার প্রকল্প সবুজ পাতায় উঠেছিল। এ বছর সেটি আবার পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত বছর অন্তর্ভুক্তির পর ৩ কোটি ৯১ লাখ টাকার একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি দেওয়া হয়েছে। ফিজিবিলিটি স্টাডির অন্তর্ভুক্ত একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান ও ফিজিক্যাল মাস্টার প্ল্যানসহ প্রায় সব ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে প্রকল্পটি এ বছর পুনরায় সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তিনি জানান, এখন সিন্ডিকেট সভা করে একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান এবং ফিজিক্যাল মাস্টার প্ল্যান আগামী রবিবার ইউজিসিতে জমা দেওয়া হবে। এরপর ইউজিসিতে টিএসসি মিটিং হবে, পরে তা পরিকল্পনা কমিশনে যাবে। এরপর একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। একনেক সভায় বাজেট পাস হলে আগামী জুলাই মাস থেকে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হবে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন