বলিউড অভিনেতা ও জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার সালমান ইউসুফ খান ভয়াবহ এক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। পরিবারের সঙ্গে ছাদে ঘুড়ি ওড়ানোর সময় পা পিছলে প্রায় ১৩ ফুট নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। দুর্ঘটনায় তাঁর হাতের দুটি হাড় ভেঙে গেছে এবং অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সালমান জানিয়েছেন, এটি কোনো সিনেমার শুটিং কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্টের সময়ের ঘটনা নয়। বরং পরিবারের সঙ্গে কাটানো একটি স্বাভাবিক মুহূর্তই হঠাৎ ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পরিণত হয়। তাঁর ভাষায়, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘সিনেমার শুটিং বা স্টান্ট করতে গিয়ে নয়, বাড়ির ছাদেই নিমেষের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে গেল। আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারত।’
দুর্ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করে সালমান বলেন, বর্তমানে শিশুদের বেশিরভাগ সময় মোবাইল ফোন ও আইপ্যাডে কাটে। ছেলে যাতে এসব থেকে কিছুটা দূরে থাকে, সেই ভাবনা থেকেই ১০ বছর বয়সী ছেলেকে ঘুড়ি ওড়ানো শেখানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
তিনি জানান, ছাদে প্রথমে ছেলেকে ঘুড়ি ওড়ানো শেখান। পরে তাকে নিচে পাঠিয়ে নিজেই আরও উঁচুতে ঘুড়ি ওড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে প্রায় ১৩ ফুট নিচে পড়ে যান। এতে তাঁর হাতের দুটি হাড় ভেঙে যায়।
অস্ত্রোপচারের পর নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন সালমান ইউসুফ খান। তিনি বলেন, ‘আমার হাতের দুটো হাড় ভেঙেছে। গুরুতর আঘাত পাওয়ায় অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। তাই আপাতত কিছুদিন লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগৎ থেকে দূরে থাকতে হবে।’
তবে দ্রুত সুস্থ হয়ে কাজে ফেরার আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন এই নৃত্যশিল্পী। তিনি বলেন, ‘নৃত্যশিল্পী হিসেবে চোট পাওয়া আমার কাছে নতুন কিছু নয়। হাড় ঠিক হয়ে যাবে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, আরও প্রায় ১৫ দিন পর হাতের প্লাস্টার খুলে ফেলা হবে। এরপর এক মাস ফিজিওথেরাপি চলবে। আশা করছি, মাসখানেকের মধ্যেই আবার পুরোদমে কাজে ফিরতে পারব।’
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামেই থাকতে হবে সালমান ইউসুফ খানকে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন